Part 1
অনেক বছর আগের কথা। বাবা কর্মসূত্রে বিদেশে থাকতেন, বছরে একবার করে আসতেন এক মাসের জন্য। বাড়িতে থাকতাম আমি, মা, দাদু, ঠাকুমা। যেবছরে আমার জীবনের সবচেয়ে স্মরণীয় ঘটনা ঘটেছিলো তখনও আমার মাধ্যমিক দিতে চার বছর বাকি, বয়স আন্দাজ করে নিন। আমি মায়ের সাথেই ঘুমাতাম। বাবা যখন আসত তখন মা বাবার মাঝখানে শুয়ে বাবার মুখ থেকে বিদেশের গল্প শুনতাম।
তারপর মাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়তাম। আমার ছোটবেলার থেকেই মায়ের পেটে হাত দিয়ে ঘুমানোর অভ্যাস। সেটা কলেজে পড়ার জন্য দূর শহরে পাড়ি দেয়ার আগে পর্যন্ত কাটেনি।
তো, সেই বছর আমাদের পরিবারে সুখবর এলো। বাবা, গতবার আসার এত মাসের মধ্যেই আবার এলেন। আর তার একমাসের মধ্যে আমার ছোটভাই জন্ম নিলো। আমাদের আনন্দের শেষ নেই, আত্মীয়-স্বজন সবাই ঘনঘন আস্তে লাগলো। বাড়িতে সবসময় যেন একটা আনন্দের মরশুম লেগে আছে। বাবা আরো একমাস আমাদের সাথে থেকে কর্মক্ষেত্রে পাড়ি দিলেন। আমরা আবার গতানুগতিক জীবনে ফিরে যেতে লাগলাম।
ভাই এলো, তার সাথে আরো একটা জিনিস এলো। সেটা হলো মায়ের বুকে দুধ। মা প্রায় প্রতি এক দু ঘন্টায় ভাইকে একবার বুক থেকে দুধ খাওয়াতেন। জানি, আপনারা মায়ের বর্ণনা শুনতে চান। বলছি বলছি, একটু সবুর করুন। আগে আমার নিজের বর্ণনা শুনে নিন। আমি ভাইকে খুব ভালোবাসতাম, পড়াশোনা ফাঁকে ফাঁকে ওর সাথে সুযোগ পেলেই খেলতাম। কিন্তু মনে মনে ওকে একটু হিংসেও করতাম।
কারণ হচ্ছে, এক মা ওকে বেশি সময় দিতে বাধ্য হতো। আর দুই নম্বর কারণ, আমারও মায়ের দুধ খেতে ইচ্ছে হতো। ভয়ে আর লজ্জায় বলতে পারতাম না। আর তখন ধীরে ধীরে আমার শরীরে বয়সোচিত পরিবর্তন আসতে শুরু করেছিল, আর সেই সাথে মায়ের প্রতি একটা অন্যরকম অবচেতন আকর্ষণ আসতে শুরু করেছিল। পড়ার ফাঁকে গৃহকর্মে ব্যস্ত মায়ের দুদুর খাজ, পেট-নাভি দেখা একটা অভ্যাসে পরিণত হয়ে গিয়েছিলো।
ভাইকে মা দুধ খাওয়ানোর সময় আড়চোখে মায়ের দুদু দেখতাম, আর মা আমার দিকে তাকালেই চোখ নামিয়ে সরিয়ে নিতাম। মায়ের শরীরের এই জায়গা গুলো দেখলে আর রাতে মায়ের পেট ধরে খেলা করার সময় আমার ছোট নুনুটা কেমন যেন শক্ত হয়ে যেত।
মা লম্বা-চওড়া ভারী চেহারার মহিলা। প্রায় ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। মায়ের মুখটা খুব মিষ্টি। দুদুর সাইজ (অনেক পরে জেনেছি) ৩৮। গায়ের রং শ্যামলা। গ্রামের মানুষ আমরা। মায়ের শরীর মোটা হলেও টাইট, রোজকার কাজকর্মের কারণে। মায়ের কোমরে সময় দুটো ভাঁজ পড়তো, পেট ছিল চর্বিতে ঠাসা, ভারী তলপেট, আর স্ট্রেচমার্কে ভরা।
মা বাড়িতে ব্রা ছাড়া ব্লাউজ আর সুতির শাড়ি পড়তেন সবসময় নাভির ওপরে, তাই মায়ের শরীরে আমার প্রিয় জায়গা গুলো দেখার সুযোগ পেতাম। পুরো পেটটা দেখতে পেতাম, মায়ের স্নান করার পর। ওই সময় মা শুধু সায়া আর ব্লাউজ পরেই শোয়ার ঘর (আমার পড়ার ঘর ও বটে) সংলগ্ন বাথরুম থেকে বের হতেন। ওই সময়টুকু মায়ের সায়াটা তলপেটের নিচে বাঁধা থাকতো।
আমার আর ভাইয়ের সামনেই সায়াটা একবার আলগা করে নাভির ওপরে বাঁধতেন আর শাড়ি পড়তেন। আমার সামনে মা কোনো আড়ালের ব্যাপার বোধ করেননি কখনো। তবে রাতে ঘুমানোর সময় মা একবার পোশাক ঠিক করতেন। আবার শাড়িটা তলপেটের নিচে নামিয়ে নিতেন আর শেয়ার গিঁট বোধয় একটু ঢিলে করে নিতেন।
এভাবে না শুলে মায়ের ঘুম আসত না। সেটা জানি কারণ আমাদের বাড়িতে মাসি মেসোমশাই, মামা মণিমা তাদের ছেলেপুলেদের নিয়ে মাঝেমাঝে এসে থাকতেন। সেই দিন কথা মা, আমি, ভাই, সেই সাথে মামি – মামাতো ভাই (আমার চেয়ে দু বছরের বড়) অথবা মাসি আর দুই মাসতুতো ভাই (একজন আমার সমান আর একজন এক বছরের ছোট) আমার একসাথে মেঝেয় বিছানা করে শুতাম। ওই দিনগুলিতে মা শোয়ার সময় ও শাড়ি নাভির ওপরেই পড়তেন, আর দেখতাম মায়ের ঘুম আসতে দেরি হচ্ছে।
এই দিন গুলি ছাড়া বাকি দিনে মা শাড়ি তলপেটের নিচেই পড়তেন রাতে। আমার সবসময়ে মায়ের বামদিকে শুয়ে ঘুমানোর অভ্যাস। মা শোয়ার আগে ভাইকে কোলে শুইয়ে বামদিকের দুদু থেকে দুধ খাওয়াতেন। তারপর ভাইকে ডানদিকে শুইয়ে, ডান দিকের দুদু থেকে দুধ খাওয়াতেন।
আমিও মায়ের বাঁ পাশে শুয়ে মায়ের পিছন দিক থেকে জড়িয়ে ধরে মায়ের পেটে হাত দিতাম আর একটা পা মায়ের গায়ে তুলে দিতাম। তারপর মায়ের সারা পেটে হাত বলতাম, হালকা হালকা টিপতাম আর নাভিতে আঙ্গুল দিতাম।
ভাইকে দুধ খাওয়ানো হয়ে গেলে মা চিৎ হতে শুয়ে ঘুমের চেষ্টা করতেন। রাতের আলো-আঁধারিতে মা আর ব্লাউজ ঠিক করতেন না। কখনো শুধু উপরের একটা হুক আটকানো থাকতো, কখনো সব হুকই খোলা থাকতো আর ব্লাউজটা আলগোছে মায়ের দুই বগলের কাছে ঝুলে থাকতো। আর আঁচলটা মা আলগোছে বুকের ওপর ফেলে রাখতেন। প্রসঙ্গতঃ মায়ের বোগলগে অনেক বড় বড় ঘন চুল ছিল।
আর আমার তখনও মাথা ছাড়া আর কোথাও চুল নেই। যদি নড়াচড়ায় অঞ্চল সরেও যেও মা আর তা ঠিক করার প্রয়োজন বোধ করতেন না, আর আমি মায়ের পাশে মায়ের পেট নিয়ে খেলতে খেলতে দেখতাম মায়ের বিশাল দুদু। ভাইয়ের দুধ খাবার পড়েও বেশ কিছুক্ষন মায়ের দুদুর বোঁটাগুলো পাকা আঙুরের মতো বড়ো হয়ে থাকতো তারপর আস্তে আস্তে ছোট হয়ে যেত কিশমিশের মতো।
দেখে লোভ হতো, ভাইয়ের ওপর হিংসে হতো কিন্তু মায়ের দুদুতে হাত দেয়ার মতো সাহস হয়নি। মনের ভিতর ছটফট করতে করতে আমি একসময় ঘুমিয়ে পড়তাম। সুখ আমার ছোট সরু নুনুটা খাড়া হয়ে সারারাত জেগে আমার আদরের মাকে পাহারা দিতো।
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
.
Like, Comment, Share, Follow.
Wanna talk? IG: darkpin1








